বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বন, আর প্রতি পার্বনেই খাবারের তালিকায় থাকে কিছু বিষেশত্ব গুনাগুন সম্পন্ন খাবার । আর এই কালীপুজার সময় ভূত চতুর্দশী পালিত হয় এদিনের বিশেষ খাবারের মধ্যে থাকে চোদ্দশাক। চোদ্দ শাক খেলে নাকি ভূতের মতো অপদেবতারা ক্ষতি করতে পারে না। বলেই এক শ্রেণীর মানুষের বিশ্বাস। তবে ভুতের হাত থেকে রেহাই পাক বা না পাক, রোগের থেকে মুক্তি পেতে চোদ্দ শাক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঞ্জানিক ও আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। স্থান ভিত্তিক শাকের তালিকার কিছু ভিন্নতা রয়েছে নিজ নিজ এলাকায় সহজলভ্য শাক গুলো সেই এলাকার তালিকায় রাখা হয়ে থাকে। ব৮৮র্ষা বিদায়ের পরে শীতের শুরু এই সময় বিভিন্ন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও জীবানু বাহিত রোগের হাত থেকে রক্ষা করে এই চোদ্দ রকম গাছের পাতা। তাই চোদ্দ শাক সবার খাওয়া একান্তই প্রয়োজন। আসুন দেখে নেওয়া যাকক আমাদের এলাকার শাকের তালিকা। ১)ওল ২)নিম পাতা ৩)কুলেখাড়া ৪)শুশুনি ৫)লাউ ৬)কুমড়া ৭)পুই ৮)হেলেঞ্চা ৯)কচু ১০)পালং ১১)মুলা ১২)সর্ষে ১৩) পিড়িং ১৪)কফি ইত্যাদি শাক গুলো চোদ্দো শাকের তালিকার থাকে।